শনিবার (১ অক্টোবর, ২০২১)মধ্যপ্রদেশের রাজধানী ভোপালে দুর্গা পূজার প্রতিমা বিসর্জনের মিছিলে যোগ দেওয়া দর্শনার্থী -দের ওপর একটি গাড়ি চাপা দিয়ে চলে যায়।
গাড়ি চালকের নাম মোহাম্মদ উমর, যে ভানপুরের বাসিন্দা। তার সাথে ছিল অশোক গার্ডেনের বাসিন্দা নাদিম। ২৩ বছরের মোহাম্মদ উমরকে গ্রেফতার করা হলেও ২২ বছরের নাদিমের খোঁজ চলছে।
জিজ্ঞাসাবাদের সময়, মোহাম্মদ উমর জানায় যে ঘটনার পর সে দ্বারকা নগর হয়ে ছোলা পৌঁছেছিল। এমনকি ঘটনার পর সে পুরো শহর ঘুরে বেড়িয়েছিল। পেশবাগ এলাকা থেকে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। সে তার সঙ্গী নাদিমকে তার বাসায় ছেড়ে দিতে যাচ্ছিল। রাস্তায় প্রচুর ভিড় ছিল।
মোহাম্মদ উমর বলে যে সে ভেবেছিল গাড়ি ভিড়ের মধ্যে দিয়ে বেরিয়ে যাবে, কিন্তু গাড়ির চাকা একটি শিশুর উপর চেপে যাওয়ার কারণে সে চিৎকার শুরু করে এবং জনতা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। ড্রাইভারের মতে কিছু যুবক গাড়িটিকে ঘিরে ফেলে এবং গাড়ির কাঁচ ভাঙতে শুরু করে, এর পর পালানোর চেষ্টায় গাড়ি উল্টো দিকে চালায় কারণ সামনে কোন জায়গা ছিলনা। মোহাম্মদ উমর বলে যে এই ঘটনায় ফালেই মানুষ আহত হয়েছে।
ये कार मो. उमर चला रहा था और नदीम उसके साथ बैठा था। ड्राइवर पर सिर्फ IPC की धारा 279 लगा कर जमानत दे गई। जबकि पुलिस को साज़िश के एंगल से भी जांच करना चाहिए। @digpolicebhopal @OfficeofSSC @drnarottammisra https://t.co/p5MAOqEpmX
— Prakhar Shrivastava (@Prakharshri78) October 17, 2021
এর পর সে জিআরপি থানার কাছে গাড়ি ঘুরিয়ে পুরো শহরে ঘুরে বেড়ায়। 'দৈনিক ভাস্কর' -এর খবর অনুযায়ী, এই ঘটনায় রোশন শাক্য, যশ সাহু, সুরেন্দ্র সেন, চিত্রাংশ সিং সাহু আহত হয়েছেন। রোশন লালঘাটির একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তার অবস্থা গুরুতর। তার মাথায়, পায়ে ও বাহুতে গুরুতর আঘাত লেগেছে। অন্যান্য আহতদের চিকিৎসার পর বাড়িতে পাঠানো হয়েছে।
মোহাম্মদ উমর ব্যাঙ্গালোর থেকে গাড়ি নিয়ে এসেছিল এবং সে ইন্দোরের দিকে রওনা হতো। উমর এবং নাদিম উভয়েই পেশায় ড্রাইভার। জাহাঙ্গীরাবাদের সিএসপি অভিনব বিশ্বকর্মা জানিয়েছেন যে মেডিক্যাল পরীক্ষায় প্রমাণিত হয়নি যে চালক নেশাগ্রস্থ অবস্থায় ছিল।
গাড়িটি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। সেখানে উপস্থিত দর্শনার্থীরা জানিয়েছেন গাড়ির ড্রাইভার বেশ কয়েকবার গাড়িটিকে সামনে-পেছনে সরিয়ে দিয়ে মানুষকে পিষে মারে।
আহত রওশন শাক্য বলেন তাকে গাড়িতে ১০ মিটার পর্যন্ত টেনে নিয়ে যায়। চিৎকার করা সত্ত্বেও গাড়ির চালক গাড়ি থামায়নি এবং ২০০ মিটার পিছনে গাড়ি চালিয়ে পালিয়ে যায়।
রোশনের মাথা থেকে প্রচুর রক্তক্ষরণ হচ্ছিল এবং তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়েন। আহত সুরেন্দ্র সেন জানান যে তার পায়ের ওপর দিয়ে গাড়ী রেখে গাড়ির গতি বাড়িয়ে দেয়। লোকজন তার গাড়ি থামানোর চেষ্টা করে, কিন্তু তারপরও সে কোন কথাই শোনেনি।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
Please do not enter any spam link in the comment box.