এতদিন এই এক্তিয়ারের সীমা ১৫ কিলােমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল এবং এই নিয়ম প্রযােজ্য হবে পশ্চিমবঙ্গ, পাঞ্জাব এবং অসমে। তবে উল্লেখযােগ্য হল,এতদিন গুজরাতে আন্তর্জাতিক সীমান্ত থেকে ৮০ কিলােমিটার পর্যন্ত এই অধিকার ছিল বিএসএফের। সেখানে এই অধিকার কমিয়ে ৫০ কিলােমিটার করা হয়েছে।
অসম এবং গুজরাতের শাসন ক্ষমতায় বিজেপি। অন্যদিকে, পশ্চিমবঙ্গ এবং পাঞ্জাব রয়েছে বিরােধী দলের হাতে। স্বাভাবিকভাবেই বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক দানা বেধেছে।
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক যেভাবে বিএসএফের কর্মক্ষেত্র সীমান্ত থেকে 15 কিমির বদলে বাড়িয়ে 50 কিমি করল, তা প্রতিবাদযোগ্য। এটা রাজ্যের অধিকারভুক্ত এলাকায় পিছনের দরজা দিয়ে নাক গলানো। তৃণমূল কংগ্রেস বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখছে। যথাযথভাবে বক্তব্য জানানো হবে।
— Kunal Ghosh (@KunalGhoshAgain) October 14, 2021
কেন্দ্রের এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী চরণজিৎ সিং চান্নি। বুধবার টুইটারে তিনি লেখেন, ‘আমি আন্তর্জাতিক সীমান্তে বিএসএফকে অতিরিক্ত ক্ষমতা দেওয়ার জন্য ভারত সরকারের একতরফা সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা করছি, যা যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার উপর সরাসরি আক্রমণ। আমি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, অবিলম্বে এই অযৌক্তিক সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করুন।
কংগ্রেস নেতা মণীশ তিওয়ারি টুইট করেন, ‘বিএসএফের ক্ষমতা বৃদ্ধি সাংবিধানিক শৃঙ্খলা ও রাজ্যগুলির পুলিশি ব্যবস্থার উপর আঘাত। অর্ধেক পাঞ্জাব এখন বিএসএফের
এক্তিয়ারের আওতায় পড়বে।
পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রীর অবশ্যই এর প্রতিবাদ করা উচিত। এই পদক্ষেপের পিছনে রাজনীতির অঙ্ক রয়েছে বলেই অনেকে মনে করছেন।
বিরােধী রাজনৈতিক দলগুলির প্রতিবাদের জবাবে বুধবার ব্যাখ্যা দিয়ে বিতর্ক বন্ধ করতে চেয়েছে বিএসএফ। বুধবার তারা জানায়, ‘এক্তিয়ারের অভিন্নতা আনার জন্য এই পদক্ষেপ করা হয়েছে।
সংশােধিত নির্দেশ অনুযায়ী সীমান্ত সুরক্ষা বাহিনী তার।দায়িত্বের সনদ অনুসারে কাজ করতে পারে, এমন এলাকা নির্ধারণের ক্ষেত্রে অভিন্নতা থাকে এবং তার ভূমিকা এবং সীমান্ত রক্ষার দায়িত্ব সম্পাদন করতে পারে। এটি সীমান্তবর্তী অপরাধ দমনে উন্নত ও সক্রিয় কার্যকারিতা আনবে।'
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
Please do not enter any spam link in the comment box.