নিউইয়র্ক : ককরোচ জনতা পার্টি (CJP) নামে একটি সংগঠন সামাজিক মাধ্যমে আত্মপ্রকাশ করেছে। বোস্টনে বসবাসরত একজন আম আদমি পার্টির সমর্থক যিনি হিন্দ এর প্রতিষ্ঠাতা। ইতিমধ্যে এই সংগঠনটি বেশ সাড়া ফেলেছে এবং একইসঙ্গে অভিযোগ উঠেছে যে, এর সদস্যদের মধ্যে বেশিরভাগ পাকিস্তানি ও বাংলাদেশি। এই সংগঠনটি অ্যান্টি-মোদি বলা হলেও কেউ কেউ বলছেন, এটি অ্যান্টি-ভারত, অ্যান্টি-হিন্দু। সামাজিক মাধ্যমে একজন বলেছেন, পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের পরাজয়ের গ্লানি এরা ভুলতে পারছে না, পূর্ব-ভারতকে বিচ্ছিন্ন করার পরিকল্পনা ভেস্তে যাচ্ছে দেখে এদের মাথার ঠিক নেই? তাই ককরোচরা একত্রিত হওয়ার নতুন ধান্দা পাকাচ্ছে।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) বলেছিলেন, তিনি দিল্লির সরকার ফেলে দেওয়ার জন্যে কাজ করবেন। কেজরিওয়াল জেনজি-দের মাঠে নামার আহ্বান জানিয়েছেন। এ দু'জন পরাজিত শক্তি, এবং এদের রাজনীতি শেষ, তাই হয়তো রাজনৈতিক ভাবে বেঁচে থাকতে নতুন ষড়যন্ত্র শুরু করতে চাইছেন। এতে কাজ হবে না, কারণ ভারতীয় জেনজি অনেক স্মার্ট, ভারতীয় হিসাবে এরা গর্বিত। এরা জানে যে, একটি মহল ভারতকে ভাঙতে চায়, এবং এদের সঙ্গে ভারতের কিছু অ্যান্টি-হিন্দু নেতা সংযুক্ত আছেন।
এবার পশ্চিমবঙ্গকে বাঁচিয়ে দিয়েছে এই জেনজিরা। এরা অন্যদের সঙ্গে একচেটিয়া মমতার বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছে। মমতার বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছে। এই জেনজিরাই ভারত বিরোধী সকল ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে দেবে। ইউনুস আমলে সেভেন সিস্টার দখলের যেসব কথাবার্তা শোনা গিয়েছে তা শুধু কথার কথা ছিল না, ওটি অনেক মুসলমানের মনের কথা?
ঢাকায় ইউনুস-জামাত-এনসিপি এবং মমতা-ফিরহাদ কলকাতায় বাস্তবায়নে কাজ করছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হয়তো বাংলাস্থানের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভুলে গিয়েছেন যে, মুসলমানরা সংখ্যাগরিষ্ঠ হলে অন্যদের কিছু দেয় না। আমার একথা এখন অবিশ্বাস্য মনে হবে, সময়ে প্রমাণ হবে এমন কিছু একটা ভেতরে ভেতরে চলছিল মোদি ও বিজেপির বিরোধিতা করতে গিয়ে ক্ষমতার মোহে মমতা-অখিলেশ-কেজরিওয়াল ভারত ও হিন্দু বিরোধিতা করছিল। ভাগ্য ভালো, এরা এখন ক্ষমতাচ্যুত।
এটি স্পষ্ট, ভারত এখন এর শিকড়ে ফিরে যাচ্ছে। ককরোচ জনতা পার্টি (Cockroach Janata Party)-তে ভারতের ককরোচরাই শুধু যোগ দিচ্ছে। ঘরে তেলাপোকা হলে মানুষ বাজার থেকে ওষুধ কিনে আনে। কথায় বলে, বাঁচলে হাতির মতো বাঁচো, তেলাপোকার মতো নয়! পার্টি করতে হলে তেলাপোকা নয়, জনগণকে সঙ্গে নিয়ে পার্টি কর, ভারতে সম্ভবত টিএমসি, আম-আদমি বা কংগ্রেসের দেশ ও হিন্দু বিরোধী রাজনীতির দিন শেষ।
মমতা ও টিএমসি শেষ! আম আদমি পার্টি এবার পঞ্জাবে হারবে, এরপর কেজরিওয়াল শেষ। তামিলনাড়তে যেকোনও সময় বিজয় থলাপতি সরকারের পতন ঘটবে। বিষয়টি মোদি বা বিজেপি নয়, বিষয়টি হচ্ছে ভারত ও হিন্দু। ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) অ্যান্টি-ভারত, অ্যান্টি-হিন্দু, সুতরাং এর অপমত্য ঘটবে।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
Please do not enter any spam link in the comment box.