মেদিনীপুরে D.I অফিসে ঘুঘুরবাসা ভাঙবে RSS শিক্ষক সংগঠন। আর কোনো দুর্নীতি নয়। দ্রুত ও স্বচ্ছভাবে সব কাজ করতে হবে। - Probaho Bangla

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬

মেদিনীপুরে D.I অফিসে ঘুঘুরবাসা ভাঙবে RSS শিক্ষক সংগঠন। আর কোনো দুর্নীতি নয়। দ্রুত ও স্বচ্ছভাবে সব কাজ করতে হবে।

Akhil Bharatiya Rashtriya Shaikshik Mahasangh, ABRSM

খড়্গাপুর: আর কোনো দুর্নীতি নয়। দ্রুত ও স্বচ্ছভাবে সব কাজ করতে হবে। শিক্ষিক-শিক্ষিকাদের ফাইল আটকে রাখা চলবে না। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা শিক্ষা ভবনে গিয়ে এই বার্তা দেওয়া হল আরএসএস (RSS)-র শিক্ষক সংগঠন অখিল ভারতীয় রাষ্ট্রীয় শৈক্ষিক মহাসঙ্ঘ বা এবিআরএসএম (ABRSM)-র তরফে।


মেদিনীপুর শহরে অবস্থিত শিক্ষা ভবন বা ডিআই (D.I) অফিসের একাংশ আধিকারিক ও কর্মীর বিরুদ্ধে প্রায়শই কাজে ঢিলেমি ও গড়িমসির অভিযোগ ওঠে। প্রাক্তন ডিআই চাপেশ্বর সর্দারের বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগও উঠেছিল। পরে তিনি অবশ্য গ্রেপ্তারও হন। তবে, তাঁর ঘনিষ্ট কিছু কর্মী ও আধিকারিক তারপরেও ঘুঘুর বাসা তৈরি করে রেখেছিলেন বলে অভিযোগ।


রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর সেই ঘুঘুর বাসা ভাঙতে তৎপর আরএসএসের শিক্ষক সংগঠন। সংগঠনের রাজ্য কমিটির সদস্য বিশ্বনাথ দাস বুধবার বলেন, ‘আমরা

ইতিমধ্যেই বর্তমান ডিআই-এর সঙ্গে দেখা করে এই বিষয়ে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছি। কোনোভাবেই কাজ আটকে রাখা, গড়িমসি করা, টেবিলের তলা দিয়ে টাকা নেওয়া, এসব চলবে না।


এক শ্রেণির কর্মীদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আছে, তা আর বরদাস্ত করা হবে না।' জেলার বেশ কয়েকজন শিক্ষক এদিন অভিযোগ করেন, তাঁদের এরিয়ার বাবদ প্রাপ্য টাকা প্রায় পাঁচ-ছ' মাস হয়ে গেল পাচ্ছেন না মেদিনীপুরের এক শিক্ষক বলেন, গত বছর (২০২৫) জুলাই মাসে আমার ফাইল জমা পড়েছে।


এরিয়ার বাবদ প্রাপ্য টাকা এখনও পাইনি। এনিয়ে তৃণমূল ও বাম শিক্ষক সংগঠনের তরফেও ডিআইকে জানানো হয়েছে বলে দাবি। এবিটিএর জেলা সম্পাদক জগন্নাথ খান বলেন, ডিআইয়ের সঙ্গে কথা বলেছি। উনি আশ্বস্ত করেছেন। তৃণমূল শিক্ষক সমিতির তরফে সুভাষ হাজরা বলেন, 'আমরাও চাই দ্রুত শিক্ষকরা তাঁদের বকেয়া পান। কেন প্রাপ্য টাকা আদায় করতে শিক্ষকদের আদালতে ছুটতে হবে?'


পেশায় শিক্ষক তথা মেদিনীপুরের নবনির্বাচিত বিজেপি বিধায়ক ড. শঙ্কর গুছাইত বলেন, ‘আমি দ্রুত ডিআই স্যারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করব। কোনো কাজ ফেলে রাখা যাবে না। আগে যা হয়েছে হয়েছে, কোনো অনৈতিক কাজ আর মেনে নেওয়া হবে না। এ বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রীর স্পষ্ট বার্তা রয়েছে।'


পশ্চিম মেদিনীপুরের ডিআই অমিত রায় জানান, ‘আমি ডিসেম্বর থেকে দায়িত্ব নিয়েছি। তারপর থেকে সমস্ত কাজ

স্বচ্ছভাবেই হচ্ছে। কোনো ফাইল আমার টেবিলে পড়ে নেই। তিনি এও বলেন, শিক্ষকদের আঠারো বছরের

অভিজ্ঞতা বাবদ বর্ধিত বেতনের ফাইল পাঠাতে অনেক স্কুল দেরি করেছে। তবে, সেই কাজও সম্পূর্ণ হয়ে গেছে।

টেকনিক্যাল কারণে এরিয়ারের টাকা পেতে একটু দেরি হচ্ছে। আশা করছি দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে।”

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Please do not enter any spam link in the comment box.

Post Top Ad